October 25, 2026, 4:06 am

ইসরায়েলের বোমাবর্ষণের মধ্যেই গাজা ছাড়ছে ফিলিস্তিনিরা

ইসরায়েলের বোমাবর্ষণের মধ্যেই গাজা ছাড়ছে ফিলিস্তিনিরা

হামাসের নজিরবিহীন হামলার জবাবে টানা আট দিনের মতো গাজায় বিমান হামলা অব্যাহত রেখেছে ইসরায়েল। এবার সেখানে বিমান হামলার পাশাপাশি স্থল হামলা চালাতে সেনা জড়ো করেছে দেশটি। এমনকি এলাকা খালি করতে ফিলিস্তিনিদের সময় বেঁধে দিয়েছে ইসরায়েল। এমন পরিস্থিতিতে মুহুর্মুহু বোমা হামলার মধ্যেই উত্তর গাজা ছেড়ে অন্যত্র আশ্রয় গ্রহণ করছে হাজার হাজার ফিলিস্তিনি। খবর রয়টার্সের।

গত শনিবার (৭ অক্টোবর) অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকা থেকে ইসরায়েলে নজিরবিহীন হামলা চালায় হামাস। হামাসের হামলায় ইসরায়েলে এক হাজার ৩০০ মানুষ নিহত হয়েছে। এ হামলার পরপর হামাসকে নির্মূলের অঙ্গীকার করে গাজায় পাল্টা বিমান হামলা শুরু করে ইসরায়েল। পাশাপাশি ২৩ লাখ মানুষের গাজায় পূর্ণ অবরোধ আরোপ করে ইসরায়েলি সেনারা।

ইসরায়েলের পাল্টা হামলায় এখন পর্যন্ত ২ হাজার ২০০ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে। আহত হয়েছে আরও প্রায় ১০ হাজার মানুষ।

টানা সাত দিনের বিমান হামলার পর গতকাল শুক্রবার রাতে উত্তর গাজা খালি করতে ২৪ ঘণ্টার সময় বেঁধে দেয় ইসরায়েল। এরপর সে সময় পার হলে তারা আজ শনিবার স্থানীয় সময় বিকেল ৪টা পর্যন্ত সময় বাড়ায়।

ইসরায়েলি সেনা মুখপাত্র লেফটেন্যান্ট কর্নেল জোনাথন কনরিকাস বলেছেন, গাজা উপত্যকার চারপাশে সেনা জড়ো করা হয়েছে। তারা পরবর্তী অভিযানের জন্য প্রস্তুত হচ্ছে।

তবে উত্তর গাজা ছেড়ে না যেতে জনগণের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে হামাস। তারা বলছে, ইসরায়েলি হামলার কারণে সড়ক পর্যন্ত নিরাপদ নয়। গতকাল শুক্রবার শরণার্থী বহনকারী গাড়ি ও ট্রাকে ইসরায়েলি হামলায় কয়েক ডজন মানুষ নিহত হয়েছে। তবে হামাসের এমন দাবি অস্বীকার করে ইসরায়েল বলছে, হামাস এসব মানুষকে মানব ঢাল হিসেবে ব্যবহারের উদ্দেশ্যেই এমন আহ্বান জানিয়েছে।

উত্তর গাজার একটি এলাকা তেল আল-হাওয়া। ওই এলাকাও খালি করার নির্দেশ দিয়েছে ইসরায়েল। ইসরায়েলের এই নির্দেশনার পরপর শহর ছাড়তে অনেকে আল কুদস হাসপাতালে আশ্রয় গ্রহণ করেন। সেখানকার বাসিন্দারা বলেছেন, তেল আল-হাওয়ায় রাতেও ইসরায়েলি যুদ্ধবিমান থেকে বোমা ফেলা হয়েছে।

এক ফিলিস্তিনি বলেছেন, আমরা ভয়াবহ এক রাত পার করেছি। আমাদের নিজেদের বাড়িঘর না ছাড়তে চাওয়ায় ইসরায়েল আমাদের শাস্তি দিচ্ছে। এর চেয়ে ভয়াবহ বর্বরতা কি আছে?

তিনি আরও বলেন, আমি মরলেও বাড়িঘর ছেড়ে যেতাম না। কিন্তু আমি আমার স্ত্রী ও সন্তানদের চোখের সামনে মরতে দেখতে পারি না। আমরা অসহায়

Please Share This Post in Your Social Media


Comments are closed.

© 2019 Businessnewsbs24.com
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com